| এটি কোনো কল্পকাহিনী নয়। বিভিন্ন সময়ে প্রাপ্ত কওমি মাদরাসায় শিশু ধর্ষণের ও শারীরিক নির্যাতনের সংবাদগুলো বিশ্লেষণ করে লিখিত একটি গবেষণাধর্মী উপন্যাস। বলা যেতে পারে এই উপন্যাসের পঁচাশি শতাংশ ঘটনাই একেবারে সত্যি। শুধু স্থান-কাল-পাত্রের নাম পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। যখন মাদরাসায় শিশু ধর্ষণ মহামারিতে রূপ নিচ্ছিল, তখন আমি সিদ্ধান্ত নিই বিষয়টি নিয়ে একটি গবেষণামূলক উপন্যাস লেখার। কাজ শুরু করলাম। যেহেতু সাধারণ মানুষের অনেকেরই এখন পত্রপত্রিকা থেকে আস্থা চলে গেছে, তাই আমি প্রতিটি সংবাদ যাচাই করার চেষ্টা করেছি। ফোন করেছি ঘটনাগুলো নিয়ে যেসব থানায় মামলা হয়েছে, সেই সব থানার ওসিদের কাছে। চেষ্টা করেছি সরাসরি ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার খুঁটিনাটি তথ্যসমুহ জানতে। বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমার বেশভূষা পরিবর্তন করতে হয়েছে। ঢাকা শহরের আশপাশের বেশ কিছু মাদরাসায় আমি গিয়েছি। বোঝার চেষ্টা করেছি সেখানকার পরিবেশ আসলে কেমন হয়। এরপর আমার মনে হলো, হয়তো ঢাকা বা ঢাকার আশপাশের কওমি মাদরাসার পরিবেশ একরকম আর গ্রামাঞ্চলে ভিন্নরকম। কিন্তু আসলে তা নয়। হয়তো অবস্থানের কারণে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু ভেতরের গল্প আসলে ঘুরেফিরে সব কওমি মাদরাসায়ই এক। পুরো বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে খুবই আশ্চর্য হলাম। বললে আপনাদের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হবে, আসলে সারা বাংলাদেশের সব কওমি মাদরাসায় প্রতিদিন যে পরিমাণ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়, আমরা তার মাত্র ০.০১ ভাগ সংবাদ পাই কিনা, তাতেও আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। একটু ব্যাখ্যা করলে বুঝতে পারবেন। বিষয়টি আমার কাছে পরিষ্কার হয়েছে যখন আমি সংবাদগুলো বিশ্লেষণ করলাম আর বাস্তবতা দেখলাম। আমি সংবাদ বিশ্লেষণ করে যা পেলাম তা হলো, যতগুলো ধর্ষণের ঘটনা সামনে এসেছে বা পত্রিকায় সংবাদ হয়েছে, সব ঘটনার শিশুর বাবা-মা রয়েছে, অর্থাৎ তারা কেউ এতিম শিশু নয়। কিন্তু মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের ভাষ্যমতে এতিম শিশুরাই বেশি ধর্ষণের শিকার হয়। অর্থাৎ আপনি এটা সহজেই অনুমান করতে পারেন যে, যত এতিম শিশু ধর্ষণের শিকার হয়, তাদের একটি ঘটনাও আমরা জানতে পারি না বা সংবাদ হয় না। কারণ, কওমি মাদরাসা দিন দিন এ দেশে একটি বড় শক্তিতে রূপ নিয়েছে আর এটি পরিণত হয়েছে ধর্মীয়ভাবে খুবই স্পর্শকাতর বিষয়ে। সেখানে ধর্ষণ হোক বা যা হোক, তাদের বিরুদ্ধে পারতপক্ষে কেউ কথা বলতে চায় না। তাছাড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি বিষয় কাজ করে তা হলো হাফেজ, আলেম, ইমাম, মুয়াজ্জিন, মুহতামিম-এরা কখনো কোনো অন্যায় করতে পারে না। এরা যে কেবলই আমাদের ধর্মীয় কাজে সহায়ক কিংবা বাংলা-ইংরেজি-অংক শিক্ষকের মত ধর্মীয় শিক্ষক এবং সর্বোপরি আমাদের মতই দোষে-গুণে সাধারণ মানুষ তা আমরা ভুলে গেছি। কওমি মাদরাসার এতিম শিশুটির স্বজন বলতে থাকে তার দাদা-দাদি, নানা-নানি, মামা, চাচা, ফুপু, মামা, খালা-এরা। এরা কখনোই ওই শিশুর জন্য কওমি কমিউনিটির বিরুদ্ধে যেতে চায় না। যেখানে মা-বাবাই যেতে চায় না, সেখানে অন্যান্য আত্মীয়রা কেন যেতে চাইবে? অর্থাৎ পাকে-চক্রে মূল বড় অংশটা আমাদের জানাশোনা বা ধরাছোঁয়ার একেবারেই বাইরে থেকে যায়। এরপর আরো একটি বড় অংশ আছে, যারা এতিম নয় কিন্তু তারা তাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা লজ্জা বা ভয়ে কখনো-ই কাউকে বলে না। এই গেল দ্বিতীয় বড় ধর্ষণের শিকার শিশুরা। এরপরও যেসব ধর্ষিত শিশুরা বিষয়টি বলে, তাদের বেশিরভাগ মীমাংসা হয় মাদরাসার ভেতরেই। অর্থাৎ ছাত্র-শিক্ষকের বাইরে এই বিভৎস ঘটনাসমূহ প্রকাশ হওয়ার কোন সুযোগই নেই। সে বিষয়ে ইসলাম ধর্ম বলে, ‘মুসলমান হয়ে আরেক মুসলমানের দোষ গোপন করতে হবে, তাতে করে আল্লাহ্ও কেয়ামতের দিন তার দোষ গোপন রাখবেন’। এত সব ফিল্টার হওয়ার পর যেটা বাইরে যায় তার ৮০ শতাংশ সংবাদে স্থান পায় না। মাদরাসা কমিটির লোকজন, যে কোনো মূল্যেই হোক, সেটা সংবাদ হতে দেয় না। তাতে মাদরাসার দুর্নাম। সংবাদ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে আমার আরও একটি বিষয় নজরে এসেছে, তা হলো যত সংবাদ আমরা পাই বা পেয়েছি, তার সবই হলো শিক্ষক কর্তৃক ছাত্র ধর্ষণের ঘটনা। বড় ছাত্র কর্তৃক ছোট ছাত্র ধর্ষণের কোনো সংবাদ আমরা এ পর্যন্ত পাইনি বললেই চলে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আরও ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে বড় ছাত্র কর্তৃক ছোট ছাত্র ধর্ষণের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে, যা মাদরাসার ভেতরেই ধামাচাপা থাকে। কখনোই বাইরে যায় না। আপনারা হয়তো জানেন, কওমি মাদরাসায় পড়তে বয়স কোনো বাঁধা নয়। সেখানে যেকোনো বয়সের ছাত্রই ভর্তি হতে পারে। জীবনের নানা রকম অসুবিধা, বাধাবিপত্তি, অসফলতা, অপকর্ম শেষে একজন লোক আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য ৪০ বছর বয়সে মাদরাসায় ভর্তি হয়ে যখন অবদমনের শিকার হয়, তখন সে হয়ে ওঠে বিকৃতমনা শিশুধর্ষকামী। ইসলাম ধর্মে হস্তমৈথুনও হারাম। কিন্তু শিক্ষক ও বয়সে বড় ছাত্রদের কাছে স্মার্টফোন থাকায় তারা নিয়মিত পর্নো দেখে আর প্রতিদিন এদের লালসার শিকার হয় হাজার হাজার শিশু। তারা নানা রকম ভয় ভীতি দেখিয়ে শিশুদের ধর্ষণ করে। কওমি মাদরাসায় শিশু ধর্ষণ হওয়ার হাজার কারণ রয়েছে। রয়েছে অনুকূল পরিবেশ। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ ছোট-বড় সব ছাত্রকেই মাদরাসায় থাকতে হয় রাতদিন ২৪ ঘণ্টা। অর্থাৎ পুরো শিক্ষাব্যবস্থাটাই আবাসিক। পাশাপাশি শিক্ষকদের খেদমত করা প্রতিটি ছাত্রের জন্যই বাধ্যতামূলক। একটা গণরুমে গাদাগাদি করে গরু-ছাগলের খোঁয়াড়ের মতো থাকে অনেক ছাত্র। আমি এমনও দেখেছি, ১০ ফুট বাই ৬ ফুট রুমে একজন মানুষ চিত হয়ে শুতে যতটুকু জায়গা লাগে, ওই সাইজের বিছানা করে অনেক ছাত্র থাকে। প্রত্যেকের বিছানার সঙ্গে প্রত্যেকের বিছানা লাগানো থাকে। এছাড়া ধর্মীয় অবদমন তো রয়েছেই। মোদ্দা কথা, প্রতিদিন যত শিশু ধর্ষণের শিকার হয়, আমরা তার ০.০১ ভাগ সংবাদও পাই না। কিন্তু ভয়ের বিষয় হলো, সাধারণ মানুষ এইসব কিছুই জানে না। তাদের যখন বলা হয় মাদরাসায় এসব হয়, তখন তারা অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে, পত্রিকার সংবাদের নিচে পত্রিকাকে আর সাংবাদিকদের নানা রকম নোংরা-অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করে মন্তব্য করে। সেখানে তারা প্রায়ই লেখে, ‘এইগুলা ইহুদি-নাসারার ষড়যন্ত্র’। তাদের এতটুকু ধারণা নেই ইহুদি কারা, এদের বসবাস কোথায়। সেই সুযোগটা আবার করে দেয় এ দেশের ওয়াজকারীরা। যারা আমজনতাকে মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকের কোনো অপরাধ বিশ্বাস করতে দেয় না। কোনো কিছু হলেই বলে, এসব ইহুদি-নাসারার ষড়যন্ত্র। আমি এসবকিছু এই উপন্যাসে সংক্ষেপে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। এসব বিস্তারিত বলেতে গেলে এমন বই শ’পাঁচেক লিখতে হবে। ভয়ের কথা হলো, দিন দিন বেড়েই চলেছে এই শিশু ধর্ষণের হার, সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলছে কওমি মাদরাসার পরিমাণ। এদের ওপর নেই কোনো সরকারি নিয়ন্ত্রণ। আওয়ামী লীগ সরকার বিজ্ঞান ও বাস্তবতাবিমুখ এই কওমি শিক্ষাকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর কওমি মাদরাসা বেড়ে চলেছে গাণিতিক হারে আর শিশু ধর্ষণ বেড়ে চলেছে জ্যামিতিক হারে। এ দেশের মোট ছাত্রের এক-তৃতীয়াংশ এখন মাদরাসায় পড়ছে বা পড়েছে। যারা দিনের পর দিন ধর্ষণ ও অন্যান্য নির্যাতনের শিকার হয়ে পরিণত হচ্ছে একেকজন মানসিক রোগীতে, নিজেই হয়ে উঠছে একজন ধর্ষক ও নির্যাতক, যারা কেউ আমাদের দূরের নয়, তারা এই সমাজেরই বৃহৎ একটা অংশ। এদের কেউ হয়তো আমার ভাই, কেউ ভাতিজা, কেউ আপনার সন্তান, কেউ আপনার ভাই। তারা মাদরাসা থেকে পাস করে কেউ হবে আপনার বাড়ির পাশের মসজিদের ইমাম কিংবা মাদরাসার শিক্ষক অথবা ইসলামি বক্তা। সবচেয়ে হাস্যকর ও একই সঙ্গে মর্মান্তিক বিষয় এই যে এরাই আবার বড় গলায় সমকামিতার বিরোধিতা করে, জুমার খুতবায় কিংবা ওয়াজে এই ধর্ষকশ্রেণিই আবার সমকামীদের হত্যার ফতোয়া দেয়। যে ফতোয়ার শিকার জুলহাস মান্নান ও মাহবুব তনয়। কওমি মাদরাসায় যে শুধু শিশু ধর্ষণই একমাত্র সমস্যা, তা নয়। শিশুদের ভয়ানক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, শিক্ষাজীবনের শুরুতেই তাদের হাতে ভিক্ষার ঝুলি ধরিয়ে দেওয়া, কর্মমুখী ও বাস্তবসম্মত ইহলৌকিক কোনো শিক্ষার ধার না ধারা-এরকম হাজারও সমস্যা রয়েছে। আমি এই গবেষণাধর্মী উপন্যাসে সেসবের দিকে তেমন আলোকপাত করিনি, গল্পে গল্পে শুধু শিশু ধর্ষণের বাস্তব রূপ তুলে ধরার চেষ্টা মাত্র। এই উপন্যাস লেখার কাজ অত সহজ ছিল না। এর জন্য যে গবেষণা করতে হয়েছে, সেই সময় আমি অন্য কোনো কাজ করতে পারিনি। মাদরাসায় মাদরাসায় ঘুরতে হয়েছে, প্রতিটি খবর পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করতে হয়েছে, করতে হয়েছে অনেক পড়াশোনা, কিনতে হয়েছে নানা বইপত্র, ঘোরাফেরা করতে হয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্রে, শিশু অধিকার ফোরামে, যেতে হয়েছে মনোরোগ চিকিৎসক ও আইনজীবীদের কাছে। উপন্যাসটি আমি বসেই খসখস করে লিখে ফেলিনি। আমার লেগেছে দীর্ঘ দশ মাস। আমি প্রথমেই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই জনাব রিয়াজ ওসমানীকে, যিনি এই বই লেখা ও প্রকাশের জন্য সবচেয়ে বড় সমন্বয়কের কাজ করেছেন। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই তাসনুভা ফেরদৌসী, তরুলতা তাসনিম, ফাহরিয়া কবির, শান্তনু আদিব, আরিফুর রহমান, মাজহারুল ইসলাম, ফয়সাল গাজী, মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম, তুষার প্রমুখকে। এ ছাড়া আরও আছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সহযোদ্ধা বন্ধু। এদের সহায়তা ছাড়া বইটি লেখা ও প্রকাশ প্রায় অসম্ভব হতো বা অনেক বিলম্বিত হতো। কৃতজ্ঞতা জানাই সেই সব মাদরাসার শিক্ষকদের প্রতি, যারা আমাকে তাদের মাদরাসায় প্রবেশের সুযোগ তৈরি করে ভেতরের আসল খবর জানার সুযোগ করে দিয়েছেন নিজেদের অজান্তেই। এটি কোনোভাবেই ইসলামবিরোধী কোনো উপন্যাস নয় এবং কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধেও নয়, বরং উপন্যাসটি ইসলাম ধর্মের বাংলাদেশে প্রচলিত এক কূপমণ্ডুকপশ্চাৎপদ শিক্ষাব্যবস্থার ভেতরের জঞ্জাল নিয়ে, নানা অসংগতি নিয়ে, যা এখন বিষফোঁড়া হয়ে সমাজের গায়ে প্রতিনিয়ত জেগে উঠছে এবং একসময় তা ক্যানসারে পরিণত হয়ে এ দেশকে ধ্বংস করে ফেলবে বলে আমার ধারণা। এই উপন্যাসে আমি কোথাও এর সমাধানবিষয়ক গল্পের অবতারণা করিনি। বাস্তবে এটার সমাধান আমার দ্বারা বলা বা প্রস্তাব করা প্রায় অসম্ভব। কারণ, দেশের অন্যতম প্রধান শিক্ষাব্যবস্থা এটি এবং এর সঙ্গে জড়িত ধর্মের মতো অতিস্পর্শকাতর একটি বিষয়। আর যদি বিষয়টিকে রোগের সঙ্গে তুলনা করি তো বলতে হবে, রোগ এত গভীরে চলে গেছে যে রীতিমতো মেডিকেল বোর্ড বসিয়ে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা দরকার। এক দিনে চট করে সমাধান করার মতো সমস্যা নয়। তবে এতটুকু বলতে পারি যে এই মাদরাসায় ধর্মীয় শিক্ষক দ্বারা শিশু ধর্ষণ বিষয়টি এই সমাজে দিনকে দিন ক্যানসারের মতো রূপ নিচ্ছে। এর জন্য দরকার হলে গণ-আন্দোলনে নামতে হবে। ফুলের মতো শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ আমরা চোখের সামনে এভাবে নষ্ট হতে দিতে পারি না। শতভাগ শুদ্ধ বলে কিছু হয় না। এই গবেষণামূলক উপন্যাসটিও শতভাগ শুদ্ধ কোনো কিছু নয়। আমি এখানে একটি কওমি মাদরাসার বাস্তবসম্মত সাধারণ চিত্র আঁকার চেষ্টা করেছি। এর বাইরে যে কোনো কওমি মাদরাসা নেই, তা অবশ্য বলার সুযোগ নেই। তবে তা সংখ্যায় এতই নগণ্য যে তা উল্লেখ করার মতো নয়। সে মাদরাসাগুলোয় সমাজের অতি উচ্চশ্রেণির মানুষদের সন্তানেরা পড়ে এবং সেই মাদরাসাগুলো সাধারণত আবাসিক হয় না। যদি কোনো বড় ধরনের ভুলভ্রান্তি থেকে থাকে, তা অবশ্যই আমাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল। আশা করি পরবর্তী সংস্করণে তা শুধরে নেব। সবার জন্য প্রীতি, শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। |
বোঝাপড়া
310.00৳ Original price was: 310.00৳ .248.00৳ Current price is: 248.00৳ .
| Name | বোঝাপড়া |
| Author | নাছির উদ্দিন, মীর লামিয়া |
| Edition | ১ম মুদ্রণ, ২০২৪ |
| No of Page | ১৮৭ |
| Publisher | প্রজন্ম পাবলিকেশন্স |
| Weight |
Category: Social problems and reforms
Brand: প্রজন্ম পাবলিকেশন্স


Reviews
There are no reviews yet.